ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২০, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Bangla Insider

জীবন যখন এসি-ময়!

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৫ জুলাই ২০১৭ শনিবার, ১১:৩৯ এএম
জীবন যখন এসি-ময়!

জীবন হয়ে গিয়েছে এসি-ময়। বাড়িতে এসি, গাড়িতে এসি, অফিসে এসি, এমনকি শপিং মলেও এসি। এসি ছাড়া একমুহূর্তও কাটেনা আমাদের। ভাবছেন বেশ তো আছেন এসির নিচে তাহলে সমস্যা কোথায়? দিনভর এসিতে থাকার ফলে শরীরের স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমে গিয়ে নানা ক্ষতির সম্মুখীন হয় আমাদের শরীর। তাই জানা যাক শরীরের ওপর এসির নেতিবাচক প্রভাব। 



এসি চালাতে স্বাভাবিক ভাবেই ঘরের দরজা-জানলা বন্ধ রাখতে হয়। এর ফলে পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের অভাব, জীবাণুর প্রকোপ বাড়িয়ে দেয়। এমনকি বাতাস বের হওয়ার ছিদ্রগুলোতে জমে থাকা ধূলো-বালি এসির বাতাসের সঙ্গে বের হয়ে দেহে বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়ার জন্ম দেয়। যা ক্রনিক শ্বাস কষ্ট, সর্দি-কাশি, নিউমোনিয়া এবং সংক্রমণের মতো রোগের জন্ম দিতে পারে। 



নিয়মিত দীর্ঘসময়ের জন্য এসিতে থাকার ফলে শরীরের স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমে যায়। দিন দিন ত্বক হয়ে পড়ে রুক্ষ-শুষ্ক। কুপ্রভাব পড়ে চোখের উপরেও। অতিরিক্ত ঠান্ডায় বাতাস চোখের পানি শুকিয়ে ড্রাইনেসের সমস্যা তৈরি করে। অনেকের আবার চোখ লাল হয়ে ওঠে। 



অফিসে একটানা বসে থাকতে হয়। আর নিয়মিত এসিতে বসে কাজ করার ফলে যে ক্লান্তি বোধ বেড়ে যায়, তা একাধিক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে। একই সঙ্গে ব্লাড প্রেসার কমে যাওয়া, আর্থ্রাইটিস এবং সারা শরীরে যন্ত্রণা ইত্যাদি রোগের আশঙ্কাও বেড়ে যায়। অসুস্থ ব্যক্তির জন্য ব্যাপারটা হতে পারে আরও সাংঘাতিক। এসির বাতাস যে কোন রোগের প্রকোপ বাড়িয়ে দিতে পারে। 



খেয়াল করে দেখবেন এসিতে অভ্যস্ত আপনি এটি ছাড়া কাটাতে পারছেন না একটি রাতও, যেখানে অন্য সবাই বেশ স্বাভাবিক ভাবেই ঘুমোচ্ছে। এর কারণ কি জানেন? দিনভর এসির বাতাস শরীরকে ঠান্ডায় অভ্যস্ত করে তোলে। ফলে কমিয়ে দিচ্ছে আমাদের গরম সহ্যের ক্ষমতা। কিন্তু আবহাওয়াতো আর আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। তাই দিনভর এসি না চালিয়ে খুব বেশি গরমে এসি চালান। এতে যেমন শরীর থাকবে ভালো, তেমনি কমবে বিদ্যুৎ বিলও। 


বাংলা ইনসাইডার/এমএ


Save